সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৩৪ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
জগন্নাথপুরে অপপ্রচার রোধে গনসচেতনতা বৃদ্ধি তে আলোচনা সভা  চার দিনের সফরে জাপান পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শান্তিগঞ্জে সিএনজিতে ৪৮ বোতল বিদেশি মদসহ আটক ১ ইতিহাসবিদ ড. মুমিনুল হক অ্যাওয়ার্ড পেলেন শান্তিগঞ্জের তৈয়বুর রহমান সাংবাদিক আলিফ হত্যার প্রতিবাদে শান্তিগঞ্জে মানববন্ধন জগন্নাথপুরে বিয়ের দাওয়াত নিয়ে বিরোধে ব্যবসায়ী হত্যা: কুলাউড়া থেকে প্রধান আসামি গ্রেফতার জগন্নাথপুরে আশারকান্দি ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর কর্মী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত- আসিফ আকবরের গাড়িতে গুলি, যে তথ্য দিল পুলিশ যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে জগন্নাথপুরে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত  শান্তিগঞ্জে সবার একটু সহায়তায় বেঁচে যেতে পারে রায়েক নুরের জীবন

স্ত্রীসহ মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে দুর্নীতির নতুন মামলা

স্ত্রীসহ মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে দুর্নীতির নতুন মামলা

জগন্নাথপুর নিউজ ডেস্ক::
সাবেক মন্ত্রী ও ঢাকার সাবেক মেয়র বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস ও তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাসের বিরুদ্ধে ২০ কোটি ৭৬ লাখ ৯২ হাজার অবৈধ সম্পদের মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
রোববার কমিশন সভায় এই অনুমোদন দেয়া হয়। নতুন বছরে এটাই দুদকের প্রথম কোন মামলা। দুদকের সহকারি পরিচালক ও অনুসন্ধানকারি কর্মকর্তা মো. সালাহউদ্দিন রাজধানীর শাহজাহানপুর থানায় মামলাটি রুজু করবেন বলে জানা গেছে।
মামলায় অভিযোগ আনা হয়, আফরোজা আব্বাস একজন গৃহীনী। কিন্তু তার স্বামী মির্জা আব্বাসের বিভিন্ন খাতের টাকা স্ত্রীর নামে হস্তান্তর করেছেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, আফরোজা আব্বাস নিজেকে একজন হস্তশিল্প ব্যবসায়ী হিসেবে আয়কর নথিতে উল্লেখ করলেও তার নিজের আয়ের কোনো বৈধ উৎস নেই।
দুদকের মামলায় আরও বলা হয়, আফরোজা আব্বাসের সম্পদ বিবরণী যাচাইকালে দেখা যায়, ঢাকা ব্যাংকে তার ৮ কোটি ৭০ লাখ ৭০৬ টাকার শেয়ার, ঢাকা টেলিফোন কোম্পানিতে ১০ কোটি টাকার শেয়ার, এফডিআর ও বিনিয়োগ ১ কোটি ৯ লাখ টাকা। এই টাকাসহ তিনি দুদকে ২০ কোটি ৫২ লাখ ৮০ হাজার টাকার সম্পদের ঘোষণা দিয়েছেন।
এই টাকার বিষয়ে দুদক আফরোজা আব্বাসকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি বলেছেন, ব্যবসায়ী এমএনএইচ বুলুর কাছ থেকে ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা ঋণ ও বাবা মা এবং বোনের কাছ থেকে ১কোটি ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা দান হিসেবে নিয়েছেন। তবে তিনি এর স্বপক্ষে কোন রেকর্ডপত্র দেখাতে পারেননি বলে মামলায় বলা হয়।
এতে আরও বলা হয়, মূলত ১৯৯১ সালের আগে মির্জা আব্বাসের উল্লেখযোগ্য কোনো আয় ছিল না। তিনি ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও পরে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী হওয়ার সুবাদে অর্থ অর্জন করেন। পরে স্বামীর যোগসাজসে আফরোজা আব্বাস ২০ কোটি ৭৬ লাখ ৯২ হাজার টাকার সম্পদ অবৈধ পন্থায় অর্জন করেন। যা ২০০৪ সালের দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের ২৭(১) ধারা, দণ্ডবিধির ১০৯ ধারা ও ২০০২ সালের মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ১৩ ধারায় শাস্তযোগ্য অপরাধ।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

© All rights reserved © 2017-2026 Jagannathpurnews.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com